নিজস্ব প্রতিবেদক।
সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রাজস্ব আদায়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একইসঙ্গে ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ ও প্রশাসনিক কঠোরতায় সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমিয়ে সেবার মানে এসেছে আমূল পরিবর্তন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপের ফলে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরটি এখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মডেলে পরিণত হয়েছে। অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বিগত সময়ের তুলনায় দলিল নিবন্ধনের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও কোষাগারে জমা হওয়া রাজস্বের পরিমাণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং দলিলের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার ফলেই এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অফিস সংশ্লিষ্টরা জানান, সেবার মান বাড়াতে মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে যেমন তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে নথি ব্যবস্থাপনা ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। সাধারণ মানুষ যেন সরাসরি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়, সে বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে একটি দলিল সম্পন্ন করতে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো, এখন তা তুলনামূলক অনেক কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, বর্তমান পরিবেশে তারা হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছেন। একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “আগে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতো, এখন পরিবেশ অনেক শান্ত এবং কাজ দ্রুত হচ্ছে। এতে আমাদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এই ধারা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়বে। সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ও জনবান্ধব অফিস হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য

Comments (0)
You must be logged in to post a comment.